দুগ্গা দুগ্গা...
- amlan
- Oct 6, 2022
- 2 min read
সপ্তর্ষি-প্রশান্তদের মতে উনি হাই-কম্যান্ড – তাই বিশ্বকর্মা পূজোর দিন উনি যখন স্ব-কন্যা আসলেন তখন সবাই থরহরিকম্পমান ।

এসেই গাড়িতে উঠে “হুকুম” যা যা এনেছেন তা পূজোতে দু বেলা করে পরতে হবে। মনিষ প্রশান্ত সুজন মাথা নেড়ে ফেলে আর কি – তার পরের প্রশ্ন সপ্তর্ষি কেন এয়ারপোর্টে আসলো না (সপ্তর্ষি বলে দিয়েছিলো যে কোলকাতা না আসা পর্যন্ত দিদি কে না জানাতে), বললাম – কবে কাজ জিজ্ঞেস করে উনি ফুল পাঠাবেন আর কি কি সব ঠিক হয়ে গেলো গাড়িতেই । বুঝলেন যে এইবার পূজোতে আনন্দ করার মানসিকতা আমাদের কারোর নেই। ভালো লাগলো উনি সেটা বুঝতে পারলেন বলে।

এর মধ্যে আমার হল শরীর খারাপ – তিন চারদিন সেখানেই কেটে গেলো - তাঁর মধ্যে সময় করে প্রশান্ত – মনিষ, দিদি আর বুচুরানি কে নিয়ে বার হল । দিদি-র সঙ্গে একদিন দেখা করতে এলো টুবাই । সেইদিন প্রথম একটু ভালো লাগলো । ডাক্তার ভাগ্নি আর দিদি-র কড়া হুকুমে প্রায় ৮ ঘণ্টা টানা ঘুমোতে হল । কি বোরিং - কবে যে লাস্ট এইভাবে ঘুমিয়েছি মনেই পরে না।

আমরা একদিন গেলাম অরবিন্দ আশ্রমে (ওটা mandatory) – অনেকদিন বাদে পিটার ক্যাটের চেলো কাবাবের স্বাদ পাওয়া গেলো। #flurys তো must... এর মধ্যে অঞ্জনদাদা এসে পৌঁছালেন।

বুচুদিদি-র সঙ্গে আলাপীর দারুণ দোস্তি... প্রশান্ত কাকাই কে ছেড়ে রোজ সকালে ব্রেকফাস্ট খাওয়ালো বুচুদিদি...”অ্যালাপী” “অ্যালাপী” করে বুচুও সারাক্ষণ সময় কাটালো দিদি-র বাটুসের সঙ্গে।

একদিন সন্ধ্যেবেলায় পাপা, বুচুরানী বসলো গান গাইতে। আমি বনফুল থেকে তরী তে পা দিইনি সব চলল...দিদি এইবার প্রায় পাঁচ ছয়দিন শাড়ি পরলো – সেটা টলি ক্লাব থেকে টালা পার্ক – সব জায়গাতেই বরকারার থাকলো ।

দিদি, অসম্ভব বিরক্ত হয় যেখানে সেখানে ছবি তোলা, তবে মনিষের অনুরোধে সেটাও করলেন। প্রশান্ত আমাদের প্রজেক্টের কাজ শুরুর আগে বুচুরানির জন্য অ্যারেঞ্জ করলো পূজো পরিক্রমা, বোধহয় পঞ্চমীর দিনে...প্রায় ১২/১৩টা ঠাকুর দেখা হল যুব বৃন্দ, তেলেঙ্গা বাগান নিয়ে।

অঞ্জলি দেওয়া হল বাড়ির মা দুর্গা-র কাছে । তারপর নবমী-র রাত বারোটায় (ট্যেকনিক্যালি দশমী) দিদি স্ব-পরিবার রওনা হলেন টেক্সাসের পথে...
P.S. অঞ্জনদাদার ছবি দেওয়া সম্ভব হলো না, কারণ আমাদের ফোটো সেশানের সময় অঞ্জনদাদা ছিলেন ব্যস্ত।
Comentários